বিগত বছরের সারসংক্ষেপ লিখতে বলা মানে জীবন নদীকে ৩৬৫ স্থানে দেয়া বাধটা আবার ছুয়ে দেখা যে কোনটা ভেঙ্গেছে, কোনটা ঘুণপোকায় ক্ষয়ে গিয়েছে আর কোনটা পানির কাছে ছিল অস্পৃশ্য। অবশ্য জীবন নদী আর রইল কোথায়......... প্রাত্যহিক দূষণে নর্দমা বলাই শ্রেয় যাতে এত বাধ দেয়ার জায়গাই বেচে নেই। তাই ঘটনা বিশেষে বার্ষিক আত্তসমালচনা সেরে নেয়া যাবে।
বছরের শুরুটা হল প্রথম স্বপ্নের আশা জিইয়ে। তবে স্রোত ভুল বাক নিল। অনবরত রঙ পালটাচ্ছে এমন এক চশমা পরে জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ এসএসসিতে বসলাম। চশমা নিয়ে পড়ায় অসুবিধা হলেও কাবু হইনি... মাঝসংগ্রামে চশমা ভেঙ্গে অন্ধ হয়ে গেলাম।দাতে দাত চেপে হাজার মৌমাছির কামড় সইলাম। বাকিটা সংগ্রাম কাটাবার পর যেদিন চোখ মেললাম তখনও জগত সাদাকালো আর রঙ্গিন এর মাঝামাঝি এক মিশ্রণ।
প্রতিবেদন কেন এভাবে লিখলাম জানিনা। তবে বছরের শুরুতে আমরা কেউই যা ছিলাম তার কিচ্ছু অবশিষ্ট নেই। একই বছরে সবাই দুই শ্রেণির,দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকার। প্রথম থেকেই যেন চলতির উদ্দেশ্য ছিল আমাদেরকে দ্বিখণ্ডিত করবার।উল্লেখযোগ্য কিছু এ বছর আমি করিনি যা আমাকে আগত বছরে কাজে দিবে তাই লেখবার কিছু নেই।আমার পারিবারিক জীবনে আমূল পরিবর্তন ঘটেনি তবে বন্ধুজীবনে অনেক কিছুই ধাওা-পাল্টা ধাওার শিকার। ছাত্রীজীবনে ছোট্ট একটু সাফল্য সম্বল যা আবার অণুবীক্ষণ ছাড়া দেখা দায়। তবে আমার জন্য এটা ছিল পরিবার,বন্ধুত্ব, বিশ্বাস, আনুগত্য,স্বপ্ন, ব্যক্তিত্তের এক আত্তপলদ্ধির বছর। শুধু এটুকু হলফ করে বলতে পারি,সূর্যমামা ঘুরে এলে আর আমার এ রঙ চিনবে না।
বছরের শুরুটা হল প্রথম স্বপ্নের আশা জিইয়ে। তবে স্রোত ভুল বাক নিল। অনবরত রঙ পালটাচ্ছে এমন এক চশমা পরে জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ এসএসসিতে বসলাম। চশমা নিয়ে পড়ায় অসুবিধা হলেও কাবু হইনি... মাঝসংগ্রামে চশমা ভেঙ্গে অন্ধ হয়ে গেলাম।দাতে দাত চেপে হাজার মৌমাছির কামড় সইলাম। বাকিটা সংগ্রাম কাটাবার পর যেদিন চোখ মেললাম তখনও জগত সাদাকালো আর রঙ্গিন এর মাঝামাঝি এক মিশ্রণ।
বুঝলাম ডাক্তার ভুল চিকিৎসা দিয়েছিল। বাক ভুলে একেবারে ঝরনার নিচে গিয়ে ঠেকেছি। খালি চোখ এ অবাক হলাম এটা বুঝে যে দৃষ্টিসহায়কটাই আমায় কালারব্লাইন্ড করে রেখেছিল। এককালে যেসব গাছকে অযত্নে মেরে ফেলেছি তাদের নিচে লাল নীল হলুদ সবুজ বীজ কুড়লাম। প্রত্যেক মাসে একেকরঙা বীজ থেকে বহুরঙ্গা অঙ্কুর ফুটতে শুরু করলো। যে নদী ভাবিনি আবার এদের দেখবো তারাই নদীর যা কিছু বিশুদ্ধ তা শেকড়ে নিয়ে আস্তে আস্তে বেড়ে উঠতে লাগল। বৃদ্ধি একেবারে ঝরনার চূড়া পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তবে বৃষ্টি রূপে আমায় ঝরতে দিল আমার লাল নীলগুলো। তবে এততা পথ চলায় নদী তার উজান ভাটা চিনতে শিখেছে। কয়েক ঘণ্টার জন্য নায়াগ্রা জলপ্রপাতও বন্ধ হয়ে নিজের গতি দেখছিল আর এ সামান্য সাঙ্কেতিক আমির থামবারই অবকাশ হলনা।এখন নর্দমা হতে এসে পাহাড়চূড়ায় বসে নিজেকে আর চিনতে পারছিনা। তবে হটাত আমার প্রিয় রংধনুগুলোতে যেন মরিচা ধরল।অনেক অশুভের জজ্ঞে ডাকা ঝড়ে এক লহমায় সিংহভাগ রঙ ছিটকে যাচ্ছেতাই। এখন একলা বসে ভাবছি অনেক রঙ তো দেখলাম। এবার নিজের স্রোতের ভিতরে লুকনো ঝিনুকের কোনটার রঙ এ নিজকে ধুব?
প্রতিবেদন কেন এভাবে লিখলাম জানিনা। তবে বছরের শুরুতে আমরা কেউই যা ছিলাম তার কিচ্ছু অবশিষ্ট নেই। একই বছরে সবাই দুই শ্রেণির,দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকার। প্রথম থেকেই যেন চলতির উদ্দেশ্য ছিল আমাদেরকে দ্বিখণ্ডিত করবার।উল্লেখযোগ্য কিছু এ বছর আমি করিনি যা আমাকে আগত বছরে কাজে দিবে তাই লেখবার কিছু নেই।আমার পারিবারিক জীবনে আমূল পরিবর্তন ঘটেনি তবে বন্ধুজীবনে অনেক কিছুই ধাওা-পাল্টা ধাওার শিকার। ছাত্রীজীবনে ছোট্ট একটু সাফল্য সম্বল যা আবার অণুবীক্ষণ ছাড়া দেখা দায়। তবে আমার জন্য এটা ছিল পরিবার,বন্ধুত্ব, বিশ্বাস, আনুগত্য,স্বপ্ন, ব্যক্তিত্তের এক আত্তপলদ্ধির বছর। শুধু এটুকু হলফ করে বলতে পারি,সূর্যমামা ঘুরে এলে আর আমার এ রঙ চিনবে না।